প্রচ্ছদ

ঋণের মামলায় খালেদা-তারেকের বিচার শুরু

০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৮:১৪

ফেঞ্চুগঞ্জ সমাচার

1_70130ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণ খেলাপির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলটির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৬ জনের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে আদালতে।

মঙ্গলবার শুনানি শেষে প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস কর্তৃক ইস্যু গঠনের আদেশের মধ্য দিয়ে এ বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। এ মামলায় ইস্যু গঠনের জন্য ২০ বার তারিখ পেছানো হয়েছিল। অবশেষে ২১ বারের মাথায় ইস্যু গঠন করা হলো।

বিবাদী পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম এবং সোনালী ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন।

মামলার বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, খালেদা জিয়া, কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান ও দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, তারেক রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

এ মামলার ১০ নম্বর বিবাদী মোজাফফর আহমেদ মারা গেলে তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ছেলে মাসুদ হাসানকে বিবাদীভুক্ত করা হয়।

মামলার অন্যতম বিবাদী আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে খালেদা জিয়াকে বিবাদীভুক্ত করার মধ্য দিয়ে ওই ঋণের দায় খালেদা জিয়াসহ কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানের ওপরও বর্তায়।

গত ৮ মার্চ খালেদাসহ অন্যদের বিবাদীভুক্ত করার জন্য ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে আবেদন জানান সোনালী ব্যাংকের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন।

দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ নম্বর আদেশের বিধি-৪ অনুসারে কোকোর সম্পদের উত্তরাধিকারীরা বিবাদীভুক্ত হলেন।

যেহেতু বাংলাদেশে শরীয়াহ আইনের বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টিত হয় সে জন্যই খালেদা জিয়া, কোকোর স্ত্রী ও তার সন্তানরা বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হলেন।

উল্লেখ্য, গত ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

গত বছরের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপীর অভিযোগে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিবাদীরা ড্যান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করেন।

২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বরাবর কালক্ষেপণ করতে থাকে।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হলেও বিবাদীরা কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম

ফেসবুকে ফেঞ্চুগঞ্জ সমাচার